স্থির হতে হবে

চাইতেই যদি হয় এটা ওটা ভূষিমাল চেয়ে লাভ কি? চাই তোমাকে। তোমাকে ভুলেই আমার যত দুঃখ, হাহাকার। কি করে পাব?
আগে স্থির হতে হবে। স্থিরে না পৌঁছান পর্য্যন্ত দুঃখ যাবে না। প্রাকৃত সবই অসৎ, অস্থির।
আমাদের দেহির মধ্যে কতকগুলি যন্ত্র কাজ করছে, যেমন পাকাশয়, হৃদ্পিন্ড, ফুসফুস ইত্যাদি প্রতিদিন সে কাজ করছে এদেরও একটা স্থির কেন্দ্র আছে তা হল সুষুম্না। সুষুম্না নাড়ী মেরুদন্ডের মাঝখান দিয়ে চলে গেছে ব্রহ্মরন্ধ ভেদ করে সূর্য্যমন্ডল পর্য্যন্ত। তার শিকড় গেছে দুপায়ে দুটি বুড়ো আঙ্গুল পর্য্যন্ত। স্থিরে যেতে এই সুষম্না পথেই যেতে হবে। যতক্ষণ প্রাণবায়ু ঈড়া পিঙ্গলায় কাজ করছে ততক্ষণ যত কর্ম্ম ছুটাছুটি। যেই প্রাণ ঈড়া পিঙ্গলা ছেড়ে সুষুম্নায় ঢুকলো অমনি সব স্থির হয়ে গেল। দেহের কর্মক্ষমতা থাকে না, ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। সুষুম্নায় প্রাণপ্রবাহ চলতে থাকলে ডাক্তারও ধরতে পারে না বেঁচে আছে কি না। এই অবস্থা অনুভব করার যন্ত্র আজও অনাবিষ্কৃত।